প্রথম আলোর রোজিনা-দৈনিক বাঁকখালীর সাইফুলের মনে জমানো কথা!

মো. শহীদুল্লাহ | পাঠক কলাম
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১ | ০৬:০১:১৯ পিএম
প্রথম আলোর রোজিনা-দৈনিক বাঁকখালীর সাইফুলের মনে জমানো কথা! রোজিনা ইসলাম দেশের শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলোর একজন সাহসী সাংবাদিক। দুর্নীতিবাজ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে গিয়ে  গেলেন কারাগারে। নেয়া হয়েছে পুলিশী রিমান্ডে। আজ তার জন্য সোচ্চার পুরো দেশ। মুক্তি চাই মুক্তি চাই। আমিও একজন নগন্য সংবাদকর্মী হিসেবে আমার জায়গা থেকে রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবী করছি।

অপরজন ককসবাজার থেকে সম্পাদিত দৈনিক বাঁকখালী পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। তিনিও একসময় কোন না কোন অনিয়ম, দূর্নীতি অথবা দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্বে সংবাদ প্রচার করেছিলেন তার পত্রিকায়। তাঁর বিরুদ্ধে ও মামলা রুজু করা হয়েছিল। দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় পত্রিকা অফিস থেকে রাত ৮ টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে গ্রেপ্তারের সম্ভবত ১ ঘন্টার মধ্যে সেই রাতেই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। মাঠে প্রকাশ ছিল তাকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত কিভাবে কারাগারে পাঠানো হবে সে প্রক্রিয়াটা ও সম্পন্ন করা ছিল নাকি! আগে থেকেই। ভাগ্যিস তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়নি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় তিনিও ৩৫ দিন কারা ভোগ করে জামিনে মুক্ত হন।
 
সাইফুল ইসলাম চৌধুরী গ্রেপ্তারের পর খুব কম সংখ্যক সাংবাদিককে তার পক্ষে অবস্থান নিতে দেখেছি। তিনি কখনো জামায়াত বিএনপির রাজনীতি করেননি।ককসবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গন যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে পাশ করা সাইফুল ইসলাম চৌধুরীর পক্ষে তখন কোন পত্রিকা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় জোরালো মন্তব্য করতে ও সাহস করেননি অনেকে। কারন বিপদেই পরিচয় মেলে বন্ধুর। প্রথম আলো,র ককসবাজার অফিস প্রধান আবদুল কুদ্দুস রানা র একটি স্ট্যাটাসে সাইফুল ইসলাম চৌধুরীর মানষিক যন্ত্রণা ও প্রতিবাদমাখা একটি কমেন্টস দেখেই আমার এই লিখা।

রোজিনা ইসলামের বেলায় দেশের সাংবাদিক সমাজ যেভাবে সোচ্চার হয়েছে সেভাবে প্রকৃত সাংবাদিকের বিপদ কালীন সময়ে সাংবাদিকদেরই সোচ্চার হওয়া উচিত। এতে কলমের আঘাতে দুর্নীতিবাজদের দূর্গ নড়বড়ে হতে সময় লাগবেনা।

লেখক: সাংবাদিক মো. শহীদুল্লাহ

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন