বিএমএসএফ ঘোষিত ১৪ দফা দাবী'ই দুর্নীতিমুক্ত দেশগড়ার পূর্বশর্ত

মোঃ শহীদুল্লাহ | পাঠক কলাম
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ১২:৫২:১৫ পিএম
বিএমএসএফ ঘোষিত ১৪ দফা দাবী'ই দুর্নীতিমুক্ত দেশগড়ার পূর্বশর্ত বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ঘোষিত ১৪ দফা দাবীই হল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ঘোষিত দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ে তুলার পূর্বশর্ত। কেননা বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এবং রাষ্ট্রের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেশব্যাপী একটি শক্তিশালী সাংবাদিক সংগঠনের নাম।

মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ৩০ লাখ শহীদের আত্মদানের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীন সার্বভৌম একটি দেশ পেয়েছি সেই দেশের সূচনা লগ্ন থেকেই রাষ্ট্র এবং সমাজের মাঝে দুর্নীতি বাসা বাঁধতে শুরু করে। যার দরুন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর শাসনামলে দুর্নীতিবাজ কালোবাজারি, মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য পর্যালোচনা করলেই এর সঠিক ধারণা পাওয়া যায়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা গড়ে তুলতে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে এক প্রকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।

যে কারণে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে তৎকালীন সময়ে কতিপয় সাংবাদিকরা বাসন্তী সৃষ্টি করে সদ্য স্বাধীন দেশে দুর্ভিক্ষের কল্পিত চিত্র তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু সরকারকে ব্যর্থ সরকার হিসাবে প্রমাণ করতে অপচেষ্টা চালিয়ে ছিল। এরকম নানা প্রপাগান্ডার শিকার হয়ে স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে কতিপয় সামরিক উচ্চাভিলাষীদের হাতে স্বপরিবারে প্রাণ দিতে হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বরণের দীর্ঘ ২১ বছর পর আবারো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী সংগঠন রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসেন ১৯৯৬ সালে। দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি নামক ক্যান্সার বাসা বেঁধে থাকা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করতে তৎকালীন সরকার প্রধান বর্তমানের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। এরপর আবার স্বাধীনতা বিরোধীদের লালনকারী কতিপয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসিন হয় ২০০১ সালে। যার ফলে দুর্নীতি নামক ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়াতো দুরের কথা পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের খেতাব অর্জন করেছিলেন সেই সরকার।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আবার ক্ষমতায় আসেন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী সংগঠন আওয়ামিলীগের নেতৃত্বে স্বাধীনতার স্বপক্ষের মহাজোট সরকার। যে সরকারের প্রধান ছিলেন আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন। শত প্রতিকূলতা সত্বেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। যে যুদ্ধ এখনো একক ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ঘোষিত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই যুদ্ধ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একার পক্ষে চালিয়ে দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করা সম্ভব নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি দেশের সকল স্তরের শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং অংশগ্রহণ থাকতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত যুদ্ধের একজন গর্বিত সৈনিক হিসাবে সাংবাদিকদেরই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে । অন্যথায় দেশকে দুর্নীতি, মাদক,সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়া কোন অবস্থায় সম্ভব হবেনা।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে যে সাংবাদিকরা বঙ্গবন্ধুর সরকারের বিরুদ্ধে প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়েছিল ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারী সামরিক সরকার গুলো বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পাশাপাশি সেই সমস্ত প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো সাংবাদিকদের বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা প্রদান করে রাষ্ট্রের মধ্যে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে ছিল। যার ফলশ্রুতিতে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদ মাধ্যমে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের সাথে কতিপয় স্বাধীনতার পক্ষ নামধারী সাংবাদিকদের শক্তিশালী একটি অবস্থান সৃষ্টি হয়েছিল।

কেন্দ্র পর্যায়ে যদিও স্বাধীনতার সপক্ষের সাংবাদিকদের একটি আপেক্ষিক শক্তিশালী অবস্থান সৃষ্টি হচ্ছে পক্ষান্তরে জেলা পর্যায়ে এখনো সেই স্বাধীনতা বিরোধী চক্র শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে থেকে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা মিলেমিশে ভোগ করে যাচ্ছেন।

এখনো পর্যন্ত দেশের অনেক জেলা সমুহতে যেখানে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীনতার বিরুদ্ধাচারন কারীর সংখ্যা বেশী ছিল। সেই সমস্ত জেলা সমুহতে স্বাধীনতা বিরোধীরাই প্রেসক্লাব ভিত্তিক নানা স্থানীয় এবং জাতীয় সাংবাদিক সংগঠনের ছত্রছায়ায় এখনো শক্তিশালী অবস্থানে আছেন। সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি গুলোর হাতেই রয়েছে জেলার সাংবাদিক সমিতি বা প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব। এদের সাথে কোন না কোন ভাবে কেন্দ্র বা জাতীয় পর্যায়ের নেতৃত্ব দানকারী সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সাথে কেন্দ্র থেকে জেলা উপজেলা পর্যন্ত অটুট সম্পর্ক বিস্তৃত রয়েছে। যে সমস্ত সাংবাদিকরা স্বাধীনতা বিরোধী পক্ষের শক্তি হিসাবে যারা অতীতে ফ্রন্ট লাইনে থেকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে লালন করেছিলেন তাদের মধ্যে অনেকেই খোলস পাল্টে বর্তমানে স্বাধীনতার স্বপক্ষের নামধারী সিনিয়র সাংবাদিকদের সমর্থন নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার প্রেসক্লাবের নেতৃত্বের আসনে আসিন রয়েছেন।

শুধুমাত্র নেতৃত্বের পালাবদল হয়েছে কিছু কিছু জায়গায় মাত্র। তবে সভাপতি স্বাধীনতার স্বপক্ষের হলে আবার সাধারণ সম্পাদক সেই স্বাধীনতা বিরোধীদের মদদপুষ্ট সিনিয়র সাংবাদিকেরাই নেতৃত্বে রয়েছেন। যার ফলে জেলার সরকারি দপ্তর সমুহের প্রধান প্রধান কর্মকর্তারা তাদের ছাড়া অন্য কোন সাংবাদিক চিনেন না বা তাদের চিনতে দেননা। কারণ সমগ্র দেশের জেলা ভিত্তিক বিএমএসএফ এর যে সমস্ত কমিটি রয়েছে সেই কমিটির মধ্যে সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্যরা প্রেসক্লাব ভিত্তিক ক্ষমতার বাইরে রয়েছেন। যার ফলে স্বাধীনতার স্বপক্ষীয় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর অনেক সদস্য ভাইয়েরা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত যুদ্ধের প্রকৃত সহযোদ্ধা হওয়ার পরও সরকার প্রদত্ত সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে বিএমএসএফ এর সদস্যরা।

সেই স্বাধীনতার স্বপক্ষের লেবাসধারী কতিপয় সাংবাদিকরা অতীতে দুর্নীতিবাজদের কাছ থেকে যেভাবে সুবিধা ভোগ করে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভকে কলুষিত করেছেন। যে সমস্ত সাংবাদিকরা ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ের সরকারের সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন সেই সমস্ত সাংবাদিকদের কারণেই রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পাকাপোক্ত দুর্নীতি নামক ক্যান্সার দীর্ঘদিন ধরেই বসবাস করার সুযোগ পেয়েছিল। দীর্ঘদিনের লালিত সেই দুর্নীতি নামক ক্যান্সার থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সরকারের পাশাপাশি গুরু দায়িত্ব পালন করতে হবে জাতির বিবেক নামক স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাংবাদিকদের। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসাবে ঘোষিত সংবাদ মাধ্যমের প্রাণ হিসাবে স্বীকৃত সাংবাদিকদের দিতে হবে রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) দেশের উপজেলা থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত বাংলার পেশাদার সাংবাদিকদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে বর্তমানে দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে। এটা কেউ স্বীকার করুক আর নাই করুক বিএমএসএফ'ই হল দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক সাংবাদিকদের অন্যতম সংগঠন।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে শুধু দেশে নয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাঙালিরা যেখানে আছেন, তাদের মধ্যে যারা পেশাদার সাংবাদিক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন তাদের নিয়েও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) বিভিন্ন দেশের শাখা হিসাবে কমিটি গঠন করে বিএমএসএফ সংগঠনটিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন এবং নিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একটি সাংবাদিক সংগঠন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানেই হল, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি,স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকার করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা রাখা সাথে সাথে রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দেশ গড়ার সৈনিক হিসাবে "দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়তে, জাতির বিবেক হিসাবে নিজেদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করে যাওয়ায় হল বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর মূল অঙ্গীকার।

এই অঙ্গীকার মানে রাষ্ট্রের অঙ্গীকার, রাষ্ট্রের অঙ্গীকার মানেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দুর্নীতি, মাদক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তুলার অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার গ্রাম থেকে শহর, নগর থেকে মহানগর তদুপরি কেন্দ্র পর্যন্ত বাস্তবায়ন করতে হলে দেশের প্রতিটি স্তরের পেশাজীবি মানুষের পাশাপাশি মাঠের সম্মুখ যোদ্ধা হিসাবে জাতির বিবেক সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক অপশক্তিদের হামলা, মামলাসহ নানা ধরনের নির্যাতন নিপীড়ন থেকে রক্ষা পাবার রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টী থাকতে হবে। মফস্বলে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সোনার বাংলা গড়ে তুলা অসম্ভব হয়ে যাবে।

সাংবাদিকেরা যেমন রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের একটি অংশ আবার সাংবাদিক নামের হলুদ সাংবাদিকতাও রাষ্ট্র এবং সামাজিক অপশক্তির নিয়ামক শক্তি। এই হলুদ সাংবাদিকতায় যে সমস্ত সাংবাদিকরা জড়িত রয়েছে তারা মূলতঃ পেশাদার সাংবাদিকদের মূল প্রতিপক্ষ হিসাবেই চিহ্নিত। সুতরাং হলুদ সাংবাদিকতা মুক্ত দেশ চাইলে বিএমএসএফ এর ১৪ দফা দাবী বাস্তবায়ন করে হলুদ সাংবাদিকতা মুক্ত দেশ গড়তে হবে।

বর্তমান পেশাদার সাংবাদিক বনাম হলুদ সাংবাদিকতার মল্লযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যে বিষয়টি উঠে আসছে তা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় গোটা দেশে প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ হিসাবে দুর্নীতি গ্রস্তদের পক্ষে পেশাদার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে হলুদ সাংবাদিক বা অপ-সাংবাদিকতা লালনকারী কতিপয় দালালেরা।

এর কারণ কি? এর প্রকৃত কারণ হল পেশাদার সাংবাদিকদের কোনঠাসা করতে কতিপয় দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, দখল বাজ, মাদক কারবারি এবং রাষ্ট্র ও সমাজের মাঝে বিচরণ করা কতিপয় খারাপ মানুষের অপকর্ম ঢাকতে হলুদ সাংবাদিক বা অপ-সাংবাদিকদের লালন করাই হল মূখ্য উদ্দেশ্য। মফস্বল থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত এই চক্রটির একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের প্রধান কাজ হল রাষ্ট্র ও সমাজের সেই সমস্ত অপরাধীদের কাছ থেকে সুবিধাভোগ করে রাষ্ট্র এবং সমাজে অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটাতে সহায়তা করাই হল হলুদ সাংবাদিকদের কাজ।

একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরলেই বুঝতে সহজ হবে কারা রাষ্ট্র এবং সমাজকে দুর্নীতি গ্রস্ত করে রাখতে চায়। আমাদের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন থেকেই মাদক, দুর্নীতিসহ নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন তখন থেকেই রাষ্ট্রের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা থেকে শুরু করে সমাজের কতিপয় দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার কারণে চরম অন্যায় অত্যাচার এবং মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক মামলা হামলার শিকার হওয়া নির্যাতিত পেশাদার সাংবাদিকদের প্রকাশিত সংখ্যা পর্যালোচনা করলেই প্রতীয়মান হবে কারা রাষ্ট্র এবং সমাজের মাঝে দুর্নীতির সাম্রাজ্য কায়েম করতে চায়।

সরকারের জেলা ভিত্তিক বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে অধিগ্রহণকৃত ভূমির ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের টাকার পার্সেন্টেজ যেমন আমলা থেকে শুরু করে কামলাদের পাশাপাশি কতিপয় দালাল সাংবাদিকেরাও ভোগ করার সুযোগ লাভ করেন। অথচ রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের দায়িত্বই হল আইনের ভিত্তিতে জনগণের হক জনগণের কাছে তুলে দেওয়া। ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানী এবং পাকিস্তানি শোষণকারীদের ন্যায় স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের রক্ত শোষণ করা মানে দেশের প্রচলিত আইন বিরোধী কাজ করা। যারা রাষ্ট্রের আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে রাষ্ট্রের মালিক জনগণের হক লুটেপুটে খায় তারাই মূলত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব লাভের পূর্বমুহূর্তে করা শপথ ভঙ্গকারী চরম অপরাধী।

স্বচ্ছতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের যেমন দায়িত্ব রয়েছে তেমনি দেশের সকল সম্মানিত নাগরিকদেরও স্ব স্ব অবস্থানে থেকে নিজ নিজ রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করা রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। রাষ্ট্র থেকে নাগরিক সুবিধা আদায় করলেন আবার রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকদের যে দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে তা পালন না করাও রাষ্ট্রীয় আইন লঙ্ঘন করার সামিল। এককথায় রাষ্ট্র থেকে নাগরিকরা যে অধিকার ভোগ করেন তেমনি রাষ্ট্রের নাগরিকদেরও নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে এটাই সুনাগরিকদের কাজ।

যারা রাষ্ট্র ও জনগণের হক তসরুপ করে নিজেদের দুর্নীতিতে নিমজ্জিত করে রেখেছেন। সেই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনকারী থেকে শুরু করে সাংবাদিকদের পাশাপাশি দেশের নাগরিকদেরও সেই যুদ্ধের সৈনিক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে। এই যুদ্ধ ক্ষেত্রের কিন্তু সম্মুখ যোদ্ধা যেমন রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তেমনি প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকরাই হল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দুর্নীতি, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম সম্মুখ যোদ্ধা। এক্ষেত্রে প্রশাসন এবং পেশাদার সাংবাদিকেরা একে অপরের পরিপূরক হিসাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কেউ কারো প্রতিপক্ষ হতে পারবেন না।

রাষ্ট্রের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব যেমন রাষ্ট্রের আইন বিরোধীদের দমন করা আবার পেশাদার সাংবাদিকদের দায়িত্ব হল সমাজে বসবাসরত ছদ্মবেশী অপরাধীদের সরূপ উন্মোচন করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সহায়তা করা। অথচ বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেখা যায় পেশাদার সাংবাদিকেরা নিজ নিজ পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সমাজ এবং রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে চারণ করা দুর্নীতিবাজদের দ্বারা নির্মম অন্যায় অত্যাচারের চরম শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত পেশাদার সাংবাদিকেরা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত রাষ্ট্র গড়ার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে যখন পেশাদার সাংবাদিকেরা রাষ্ট্র এবং সমাজে বসবাসরত ছদ্মবেশধারী কতিপয় দুর্নীতিবাজ মাদক কারবারিসহ অপরাধীদের সরূপ উন্মোচন করেন, তখনই রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনকারী কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সমাজের সেই সমস্ত অপরাধীরা পেশাদার সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ হিসাবে সামনে নিয়ে আসেন, অপরাধী চক্রের লালিত হলুদ সাংবাদিক নামক কতিপয় সাংবাদিক নামধারী রাষ্ট্র ও সমাজ ধ্বংসকারী ক্যান্সারের জীবাশ্ম গুলোকে।

পেশাদার সাংবাদিকেরা যেখানে দুর্নীতিবাজ এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তথ্য উপাত্ত ভিত্তিক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করেছেন। সেই পেশাদার সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা থেকে শুরু করে নানা নিপীড়ন মূলক অত্যাচার নির্যাতন চালানো হয়। তাতে হয়কি যে পেশাদার সাংবাদিক রাষ্ট্রের প্রতি নিজ নিজ দায়িত্ববোধ থেকে যে সত্য সংবাদ প্রকাশ করলো রাষ্ট্র এবং জনগণের স্বার্থে। সেই সাংবাদিক এবং তার পারিবারিক জীবনের উপর নেমে আসে এক অন্ধকার অমানিশা। হয় সত্য সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিকে ঐ অপরাধীদের দায়ের করা মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক মামলার আসামী হয়ে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে থাকতে হয় অথবা যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছে সেই অপরাধীদের লালিত সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে হামলার শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হচ্ছে এমনকি নিজের প্রাণ পর্যন্ত বিলিয়ে দিতে হচ্ছে এই হল বর্তমান আমাদের দেশের বাস্তব প্রেক্ষাপট।

যে পেশাদার সাংবাদিকগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দুর্নীতি, মাদক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একজন প্রকৃত সহযোদ্ধা হিসাবে নিজেদের জীবন ও নিজ নিজ পরিবারকে ঝুঁকির মধ্যে রেখে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তারাই বার বার শিকার হচ্ছেন সেই রাষ্ট্র এবং সমাজের চিহ্নিত ও ছদ্মবেশী অপরাধীদের নির্মম হামলা এবং মামলার। এই হামলা এবং মামলা থেকে কেন পরিত্রাণ পাচ্ছেননা প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকেরা? কতিপয় পেশাদার সাংবাদিক নামধারী দুর্নীতিবাজদের পক্ষে দালালী করে যাচ্ছে মূলত তারাই হলুদ সাংবাদিকতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

আমি প্রথমেই বলেছি আমার সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে যে বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করেছি তাতে দেখা যায় মফস্বল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ হিসাবে দায়িত্বে আছেন কতিপয় হলুদ সাংবাদিকদের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেট উপজেলা- জেলা থেকে শুরু করে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে পর্যন্ত বিস্তৃত আছে।

মূল কথা হল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দুর্নীতি, মাদক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন সোনার বাংলা বিনির্মানের প্রকৃত সহযোদ্ধা রাষ্ট্রের তৃণমূল থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাঁরা আছেন আসলে তাঁরা একপ্রকার কোনঠাসা হয়েই আছেন। সম্মান বাঁচানোর স্বার্থে দেশের অনেক জাতীয় পর্যায়ের সিনিয়র সাংবাদিক স্যারেরা পেশাদার সাংবাদিকদের উপর নির্মম নিপীড়ন হামলা মামলা হলেও নিরব থাকেন। আর যারা অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত রয়েছে তারা সংখ্যায় কম হলেও কিন্তু তারা সংঘবদ্ধ হয়ে থাকেন।

ফলে ভালো সত পেশাদার সাংবাদিকদের সংখ্যা বেশী হওয়ার পরও নিজেদের অনৈক্যের কারণে হলুদ সাংবাদিকরা রাষ্ট্র এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে স্তরে অবস্থান নিয়ে বহাল তবিয়তে রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছে। সুতরাং এই পর্যায়ে আমাদের সকলের সর্বজন শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাইয়ীদ স্যারের একটি উক্তিই প্রনিদান যোগ্য। স্যারের উক্তিটি হল কোড,

"আজকাল আমাদের দেশে দেখবেন, ভাল মানুষেরা বিচ্ছিন্ন। ভালো মানুষদের মধ্যে কোন যোগাযোগ নাই। তাঁরা একা, পরস্পরকে খুঁজে পায়না। কিন্তু যারা খারাপ তারা খুব সংঘবদ্ধ। এক শয়তান "হুক্কা হুয়া" দিলেই মূহুর্তেই হাজারো শয়তান "কেয়া হুয়া" "কেয়া হুয়া " বলে এগিয়ে আসে।" এটাই হল নির্মম বাস্তবতা।

যার ফলে রাষ্ট্র এবং সমাজের মাঝে যে গুটিকয়েক শয়তান রূপী মানুষদের হাতে আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব মানুষেরা প্রতিনিয়তই লাঞ্ছিত বঞ্চিত হতে হচ্ছে। এখানে দেশের বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন শ্রেনী পেশায় নিয়োজিত ভালো মানুষের সংখ্যা বেশী থাকার পরও নিজেদের নিরব নিশ্চুপ করে থাকাটাই অন্যতম কারণ হিসাবে গণ্য করা যায়।

মূলত পেশাদার সাংবাদিকরা যেমন বিভিন্ন স্তরের অপরাধীদের হামলা মামলার শিকার হতে হচ্ছে তেমনি ভাবে বিভিন্ন সত্য প্রিয় লেখক সাহিত্যিকরাও নিজেদের সত্য লেখনীর কারণেই সেই নির্মমতার শিকার হচ্ছেন।

এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?
এর থেকে পরিত্রাণের অন্যতম উপায় হল বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম) (বিএমএসএফ) ঘোষিত সাংবাদিকদের প্রাণের দাবী ১৪ দফা বাস্তবায়ন করা এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা উপজেলা পর্যন্ত যাঁরা বিভিন্ন ভাবে দায়িত্ব পালনরত আছেন, তাদের প্রধান কর্তব্য হল কোন দুর্নীতি গ্রস্ত রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিত্তিক বর্তমান আদর্শকে লালন না করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার চেতনাকে যাঁরা কায়মনোবাক্যে লালন এবং পালন করেন সেই স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় মানুষ গুলোর পাশাপাশি পেশাদার সাংবাদিকদের মাঝে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান উন্নত প্রযুক্তির সুবাদে তৃণমূল থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে একটি শক্তিশালী ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করা অসম্ভব কিছুই নয়।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা উপজেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তর সমুহের সাথে পেশাদার সাংবাদিকদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণ মূলক রাষ্ট্রীয় নিশ্চয়তা দিতে হবে। সাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পি.আই.বি.তে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর পক্ষ থেকে নূন্যতম একজনকে পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব প্রদান করতে হবে। পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন করে সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে। যাতে দায়িত্ব পালনকারী পেশাদার সাংবাদিকেরা কোন অপশক্তির মাধ্যমে হয়রানি বা নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হতে না হয়। ১ মে থেকে ৭ মে পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ ঘোষণা করতে হবে।

মোদ্দা কথা হল বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর ১৪ দফা দাবী বাস্তবায়ন করে রাষ্ট্রের সত দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের সহযোদ্ধা হিসাবে জাতির বিবেক পেশাদার সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র গড়ে তুলতে হবে, দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, ঘুষখোর, সুদখোর, মুনাফাখোর, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলার স্বার্থে। দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ার পূর্বশর্ত হল বিএমএসএফ ঘোষিত পেশাদার সাংবাদিকদের প্রাণের দাবী ১৪ দফা রাষ্ট্রীয় ভাবে বাস্তবায়ন করা।

অন্যথায় দেশের আইন শুধুমাত্র কাগজে লিখা থাকবে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ হবেনা। সেই কাগজে লিপিবদ্ধ আইনের অপব্যবহার হতে থাকবে দুর্নীতি, মাদকসহ নানা অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী সাংবাদিকদের এবং জনগণের উপর।

মোঃ শহীদুল্লাহ
আহবায়ক বি.এম.এস.এফ. কক্সবাজার জেলা।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন