সিসি টিভির আওতায় আসছে বরিশাল নগরী

বরিশাল প্রতিনিধি | সারাদেশ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১ | ০৪:১২:০৮ পিএম
সিসি টিভির আওতায় আসছে বরিশাল নগরী নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যেগ নিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে নগরজুড়ে অপরাধীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করবে তারা।

সবগুলো সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শেষ হলে মহানগরের সব অপরাধ ও অপরাধী শনাক্তকরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন নগর পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।  

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, আধুনিক বিশ্বে অনেক ঘটনাই সিসি ক্যামেরায় নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে ২ শতাধিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নগরীতে মিছিল-মিটিং ও সভা সমাবেশের নামে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের সহজেই চিহ্নিত করতে সুবিধা হবে। ক্যামেরাগুলো স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হলে নগরীর অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে।

ঈদের আগে মহানগরীর আওতাধীন এলাকায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শেষ করে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলেও জানান এই নগর পুলিশ প্রধান।

এর আগে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামাল প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্যামেরাগুলো চালু হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে বিকল হয়ে পড়ে। ফলে সিটি কর্পোরেশনের কয়েক লক্ষ টাকা ব্যায় হলেও নগরবাসীর জন্য কোন সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারেনি সিসি ক্যামেরাগুলো।

আব্দুল্লাহ আল হাসিব/আরইউ/বাংলাপত্রিকা

আরও পড়ুন

বিশ্বে করোনায় ৩০ লক্ষাধিক মৃত্যু


গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে ৯ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাত লাখ ২৮ হাজার। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৪ কোটি ২৬ লাখ ৮৮ হাজার। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩০ লাখ ৪৩ হাজার।

মঙ্গলবার সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ হাজার ৫৪১ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩০ লাখ ৪২ হাজার ৮৩৮ জনে।

এছাড়া, একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৯৭ জন। এতে ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ২৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯৪৩ জনে।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ২৪ লাখ ৭২ হাজার ৬৪৩ জন করোনায় আক্রান্ত এবং ৫ লাখ ৮১ হাজার ৫৪১ জন মারা গেছেন। লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী এক কোটি ৩৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯ জনের।

অন্যদিকে করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান চতুর্থ। দেশটিতে মোট আক্রান্ত এক কোটি ৫৩ লাখ ১৪ হাজার ৭১৪ জন এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৫৫০ জন।

এছাড়া এখন পর্যন্ত ফ্রান্সে ৫২ লাখ ৯৬ হাজার ২২২ জন, রাশিয়ায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ৬৯০ জন, যুক্তরাজ্যে ৪৩ লাখ ৯০ হাজার ৭৮৩ জন, ইতালি ৩৮ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৪ জন, তুরস্কে ৪৩ লাখ ২৩ হাজার ৫৯৬ জন, স্পেন ৩৪ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৪ জন, জার্মানি ৩১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৪৭ জন এবং মেক্সিকোতে ২৩ লাখ ৫ হাজার ৬০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ফ্রান্সে এক লাখ এক হাজার ১৮০ জন, রাশিয়ায় এক লাখ ৫ হাজার ৯২৮ জন, যুক্তরাজ্যে এক লাখ ২৭ হাজার ২৭৪ জন, ইতালিতে এক লাখ ১৭ হাজার ২৪৩ জন, তুরস্কে ৩৬ হাজার ২৬৭ জন, স্পেনে ৭৭ হাজার ১০২ জন, জার্মানিতে ৮০ হাজার ৭৭৪ জন এবং মেক্সিকোতে ২ লাখ ১২ হাজার ৩৩৯ জন মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। বিশ্ব এখন ভাইরাসটির দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করছে।

এসআর/বাংলাপত্রিকা

ফোর্বসের তালিকায় বাংলাদেশের ৯ তরুণ

বিখ্যাত মার্কিন ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’-এর এশিয়ার ৩০ বছরের কম বয়সী উদ্যোক্তা ও সমাজ পরিবর্তনকারী (চেঞ্জমেকার) তালিকায় এ বছর প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছেন ৯ বাংলাদেশি। এ বছর ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে সমাজে অবদান রাখায় অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সী এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৩০০ তরুণের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস।

২০১১ সাল থেকে এই তালিকা করছে ফোর্বস। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মোট ৯ জন বাংলাদেশি তাদের অসামান্য কাজের জন্য এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। এবারের তালিকায় থাকা বাংলাদেশিরা প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, সামাজিক প্রভাব, খুচরা ও ই-বাণিজ্যে অবদান রাখায় তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

তালিকায় থাকা ৯ বাংলাদেশি হলেন আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স বা এআই-ভিত্তিক উদ্যোগ ‘গেজ টেকনোলজিসের প্রতিষ্ঠাতা শেহজাদ নূর তাওস (২৪) ও মোতাসিম বীর রহমান (২৬), স্টার্টআপ ক্র্যামস্ট্যাকের প্রতিষ্ঠাতা মীর সাকিব (২৮)।

কুয়ালালামপুর-ভিত্তিক এনজিও অ্যাওয়ারনেস ৩৬০-এর প্রতিষ্ঠাতা শোমী হাসান চৌধুরী (২৬) এবং রিজভি আরেফিন (২৬)। বর্তমানে ২৩টি দেশে এই এনজিওর দেড় হাজার স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। হাত ধোয়া, জল-পরিস্রাবণ, স্যানিটেশনসহ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রচার চালাচ্ছেন তাঁরা।

রয়েছেন অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ ইমতিয়াজ জামি (২৭), হাইড্রোকো প্লাসের প্রতিষ্ঠাতা রিজভানা হৃদিতা (২৮) ও মো. জাহিন রোহান রাজীন (২২) ও পিকাবোর সহপ্রতিষ্ঠাতা মোরিন তালুকদার (২৭)।

আজ মঙ্গলবার প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ‘ফোর্বস’ ২০২১ সালে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সী এশীয় অঞ্চলের ৩০০ তরুণের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এতেই বাংলাদেশের এই নয় তরুণের নাম উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ফোর্বসের এশিয়ার ৩০ বছরের কম বয়সী উদ্যোক্তা ও সমাজ পরিবর্তনকারী (চেঞ্জমেকার) তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশের রাবা খান ও ইশরাত করিম। ফোবর্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাবা খান সমাজের নানা বিষয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ করে সুপরিচিত হয়েছেন। আর ইশরাত করিম আমাল ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের সহায়তায় নানা কাজ করেন।

এসআর/বাংলাপত্রিকা

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন