কবি মুকুল কান্তি ত্রিপুরার ১ম একক কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি | সারাদেশ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ মার্চ ২০২১ | ০৩:১৭:২৬ পিএম
কবি মুকুল কান্তি ত্রিপুরার ১ম একক কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার সময় রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে ত্রিপুরা ভাষায় রচিত মুকুল কান্তি ত্রিপুরার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘এমাংনি খুমতাং’। যার বাংলা অর্থ" স্বপ্নের পুষ্পমাল্য/স্বপ্নের ফুলেরমালা।

এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে কাব্যগ্রন্থের মোড়ক ও প্রচ্ছদ উন্মোচন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক মো. সেলিম, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশিষ্ট কবি ও অন্যতম নাট্যকার মৃত্তিকা চাকমা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সিনিয়র প্ল্যানিং অফিসার জনাব প্রীতি কান্তি ত্রিপুরা, রাঙামাটি ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব  জনাব সুরেশ ত্রিপুরা, বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত কথা সাহিত্যিক শোভা রাণী ত্রিপুরা, বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হাসান মনজুসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ত্রিপুরা ভাষায় রচিত কাব্যগ্রন্থ মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশিষ্ট লেখক ও কবি এবং কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা জনাব মুকুল কান্তি ত্রিপুরা।

স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এমাংনি খুমতাং’(Emangni Khumtang) ত্রিপুরা ভাষার দুটি শব্দ।যার বাংলা অর্থ "এমাং -স্বপ্ন" "খুমতাং-পুষ্পমাল্য/ফুলের মালা। যার বাংলার পুরো অর্থ "স্বপ্নের পুষ্পমাল্য"/ফুলের মালা। জুম-পাহাড়ের বৈচিত্রময় চিত্রগুলো এবং মনের গহীনের অব্যক্ত কথামালার মিশ্রিত প্রতিফলন হলো ‘এমাংনি খুমতাং’।

প্রসঙ্গত, এমাংনি খুমতাং ত্রিপুরা ভাষায় কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ও কবি জনাব মুকুল কান্তি ত্রিপুরা, রাঙামাটি পাবলিক কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক।

তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার রাম রতন কার্বারি পাড়ার খোকা রঞ্জন ত্রিপুরা ও কনিকা ত্রিপুরা দম্পতি দুই সন্তান।

এক পুত্র ও এক কন্যা। খোকা রঞ্জন ও কনিকা ত্রিপুরা দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান মুকুল কান্তি ত্রিপুরা।

তিনি শৈশব থেকেই লেখার প্রতি গভীর মনোযোগ ছিলেন। তিনি লেখেন, লিখতেছেন এবং আরো লিখবেন। তিনি লেখালেখিতে খুব যোগাযোগ রাখেন।

‘এমাংনি খুমতাং’ ছাড়াও তাঁর কবিতা, ছড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রন্থ একক ও যৌথভাবে  সম্পাদনা করেছেন।

একাধারে তিনি একজন ত্রিপুরা জাতির ইতিহাস সংগ্রাহক, গবেষক, লেখক, কবি ও শিক্ষক।
তিনি নিজের হাতের কলম সাবলীলভাবে চালিয়ে আসছেন, চালিয়ে যাচ্ছেন।

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক/এসএ/বাংলাপত্রিকা

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন