করোনা প্রতিরোধে ঔষধ আবিস্কারের নামে গুজব

ছৈয়দ কামাল, ছাগলনাইয়া (ফেনী) প্র্রতিনিধি | পাঠক কলাম
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০ | ০২:০৭:১০ পিএম
করোনা প্রতিরোধে ঔষধ আবিস্কারের নামে গুজব
করোনা মহামারির কাছে বিশ্ব আজ নিঃস্ব। ভাইরাসটির তান্ডবে বিশ্বের বাঘা বাঘা দেশ গুলি যেখানে আজ নিঃশেষ, সেখানে এটি প্রতিরোধে নতুন নতুন ঔষধ আর ভ্যাকসিন আবিস্কারে (ফলাফল যাইহোক) এগিয়ে আমার সোনার বাংলাদেশ।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে এযাবত একধীক ভ্যাকসিন ও ঔষধ আবিস্কারে সর্বাগ্রে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। এই দেশের সাহসী হেকিম, কবিরাজ ও হোমিও প্যাথি ডাক্তারগণের আবিস্কৃত এইসব ঔষধ ইতিমধ্যে অনেকে সেবন করেছেন। এইসব ঔষধ সেবনকারীদের মধ্যে কতজন করোনা আক্রান্ত রোগী এই পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন, সে বিষয় এখনও সঠিক কোন হিসেব দিতে পারেন নি, ওইসব ঔষধ আবিস্কারকগণ। করোনা নিরাময়ে আবিস্কৃত ঔষধ সেবনে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হওক বা না হওক আমাদের দেশের আবিস্কারকগণ কিন্তু থেমে নেই। তারা প্রতিদিনই একটা না একটা ঔষধ অথবা ভ্যাকসিন আবিস্কারের নতুন নতুন সংবাদ শুনাচ্ছে আমাদের। এই স্টাইলে আবিস্কারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখলে একদিন না একদিন আমরা সফল হবই।

করোনা প্রতিরোধে আমাদের দেশে এই যাবত আবিস্কৃত হওয়া কিছু ঔষদের নাম আপনাদের কাছে তুলে ধরছি।

প্রথমঃ করোনা প্রতিরোধে প্রথম আবিস্কৃত ঔষধের নাম লবন চা-এই ঔষধের আবিস্কারক কারো কারো মতে জন্ম পরবর্তী পৃথিবীতে এক ঘন্টা বেঁচে থাকা জমজ দুই নবজাতক শিশু,আবার কারো কারো মতে এক ঘন্টা বেঁচে থাকা নবজাতক এক শিশু। এক বা দুই যাই হোক বেঁচে থাকার সময় কিন্তু এক ঘন্টা। এক ঘন্টা হায়াতকালীন ওই আবিস্কারক একটা কথা বলেই পৃথিবী ত্যাগ করেছে। আবিস্কারক বলেছে পৃথিবীতে আসা করোনার ঔষধ হচ্ছে লবন দিয়ে রং চা প্রাণ করা।এই কথা বলার সাথে সাথেই আবিস্কারকের মৃত্যু হয়।দেশব্যাপী বেশীরভাগ মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিনরাই এই ঔষধটি বেশী সেবন করেছেন।

দ্বিতীয়ঃ থানকুনি (ফেনীর আঞ্চলিক ভাষায় আদামণি) পাতার রস সেবন করলেই বাঁচা যাবে করোনা থেকে।এই ঔষধটি আবিস্কারকের সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।ধারণা করা হচ্ছে এই ঔষধের আবিস্কারক ফেইজবুক শরিফ।

তৃতীয়ঃ ধুতরা (ফেনীর আঞ্চলিক ভাষায় বেরণ) গাছের গোটা।এই গাছের গোটা গুলি দেখতে অনেকটা করোনা ভাইরাস নমুনার মত মনেহয় বলে, এই গোটা গুলির রস সেবন করাটাও করোনা প্রতিরোধে কার্যকর একটা ঔষধ হিসেবে আবিস্কৃত হয়েছে।

চর্থূতঃ সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত পুলিশ অফিসার ও পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অনেকে নাকি হোমিও প্যাথিক আবিস্কৃত এক দরণের তরল ঔষধ সেবনে রোগমুক্ত হয়েছেন, এমন একটি গুজব না প্রচারনা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়লে, দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ করোনা ভাইরাস মুক্ত থাকার লক্ষে এখনও পাল্লাদিয়ে সেবন করে যাচ্ছে হোমিও প্যাথিক আবিস্কৃত নতুন এই ঔষদ টি।

লেখক: সংবাদকর্মী

বাংলাপত্রিকা/এসএস


পাঠক কলামের কোন লেখার বিষয়ে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ কোন দায় নিবে না। লেখক তার নিজের লেখার জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার গ্রহণ করবেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন