কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীর পিঠে বইয়ের বোঝা ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা না মানা

আবদুর রহিম | পাঠক কলাম
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২০ | ০৮:০১:৫১ পিএম
কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীর পিঠে বইয়ের বোঝা ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা না মানা
কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের পিঠে বইয়ের ভার কমানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই শিক্ষা মন্ত্রানালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। বই উৎসবে নতুন বছরে নতুন বই পেয়ে শিশু শিক্ষার্থীরা খুশীতে আত্মহারা। দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্ষন্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ২টা ৫ টা পর্ষন্ত বই শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। বোর্ড নির্ধারিত বই পেয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা খুশী।
 
কিন্তু এই খুশীকে ম্লান করে দিচ্ছে সারাদেশে ব্যাঙ্ঘের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা কিণ্ডারগার্ডেন স্কুলসহ বেসরকারি বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক শ্রেণীতে বোর্ড নির্ধারিত পাঠ্য বইয়ের অতিরিক্ত আরও ৮টি থেকে ১০ টি বই চাপিয়ে দিয়ে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে দূর্বল করে দিচ্ছে এবং আমাদের আগামীর নতুন প্রজন্মের মেধার বিকাশকে বাঁধাগ্রস্ত করছে।
 
প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান ও পুস্তক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থ লিপ্সায় মিলিত হয়ে অভিভাবকদের অতিরিক্ত বই ক্রয়ে বাধ্য করে, শিশু শিক্ষার্থীদের কাঁধে বইয়ের বোঝা তুলে দিয়ে কোমলপ্রাণ শিশুদের বই ভীতি সৃষ্টি করছে।  যা সরকারের বই উৎসবকে ম্লান ও বাঁধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি জাতির মেধাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
 
তাই আমরা মনে করি, শিশু শিক্ষার্থীদের উপর বইয়ের বোঝা কমানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেন নজরদারি বৃদ্ধি করে যাতে তারা বাণিজ্যিক মতলবে বইয়ের বোঝা শিশু শিক্ষার্থীদের কাঁধে তুলে না দেই। 

আবদুর রহিম, সাংবাদিক

পাঠক কলামের কোন লেখার বিষয়ে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ কোন দায় নিবে না। লেখক তার নিজের লেখার জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার গ্রহণ করবেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন