চট্টগ্রামে ভারতীয় পেঁয়াজে বিপাকে আড়তদাররা

চট্টগ্রাম ব‍্যুরো | অর্থনীতি
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১ | ০৫:৪৮:১৬ পিএম
চট্টগ্রামে ভারতীয় পেঁয়াজে বিপাকে আড়তদাররা
দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞা থাকার পর ভারত থেকে চট্টগ্রামের বাজারে এসেছে পেঁয়াজ। রোববার থেকে পেঁয়াজ ভর্তি ট্রাকগুলো বন্দর নগরীর ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে আসতে শুরু করে। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসার খবরে অনেকটা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমদানিকারকরা। খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের ট্রাক আসতে স্থানীয় আড়তদাররা তেমন খুশি হতে পারেনি। আর অনেকের মতে এমন সময়ে ভারতের পেঁয়াজ আসায় আমদানিকারক ও দেশের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তবে দেশি পেঁয়াজ বাজারে থাকলে ও দাম কমার ভয়ে আড়তদাররা চিন্তিত হয়ে পড়েছে। অনেকের মতে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা এখনো অনেক পেঁয়াজ গোডাউনে থেকে যাওয়ায় দাম কমাতে বাধ্য হবে তারা। আমদানি করা দামে বিক্রি করতে না পারলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে অনেক ব‍্যবসায়ীকে।

খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের বড় বিপণিকেন্দ্র হামিদুল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ফলে পেঁয়াজের দাম ছিল নিম্নমুখী। এছাড়া বাজারে আসতে শুরু করেছে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজও।

এক আড়তদার জানান, পাইকারিতে তুরস্কের ছোট সাদা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ টাকায় ও বড় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০-২২ টাকায়। এছাড়া ছোট লাল পেঁয়াজ ৪৫-৪৬ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৪৫-৪৭ টাকা, দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ ৩২-৩৫ টাকা, মিশরের পেঁয়াজ ২৯-৩০ টাকা ও নিউজিল্যান্ডের পেঁয়াজ ১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব দাম কিছু স্হিতিশীল থাকলেও ভারতীয় পেঁয়াজ চলে আসায় এর দাম অর্ধেকে নেমে আসবে বলে ও অনেকের ধারণা।

এর আগে, ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস রফতানি বন্ধ থাকার পর ২৮ ডিসেম্বর সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় দেশটি।

ভোক্তাদের মতে ব‍্যবসায়ীরা অনেক সময় ইচ্ছে করে দাম বাড়িয়ে রাখে। সুযোগ থাকলেও তারা অবৈধভাবে দাম ধরে রাখে।

মোঃ সিরাজুল মনির/এসআর/বাংলাপত্রিকা



খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন