কনডমের প্যাকেট ফেলা নিয়ে পুলিশকে কোপালেন আরেক পুলিশ সদস্য

রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি | সারাদেশ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে ২০২০ | ০৯:৪২:৫৮ পিএম
কনডমের প্যাকেট ফেলা নিয়ে পুলিশকে কোপালেন আরেক পুলিশ সদস্য
ঠাকুরগাঁওয়ে আপত্তিকর নোংরা উচ্ছিষ্ট ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক কনস্টেবল মনিরকে দা দিয়ে কুপিয়ে যখম করার অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইনের আরেক পুলিশ কনস্টেবল এনামুলের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগ করেন যখম হওয়া ট্রাফিক কনস্টেবল মনির।

হামলার শিকার মনির জানান, গত রবিবার দিবাগত রাতে প্রতিবেশি পুলিশ কনস্টেবল এনামুলের বাসা থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ (কনডমের) একটি ব্যাবহৃত প্যাকেট মনিরের বাসায় ফেলা হয়। এ বিষয়ে তার স্ত্রী এনামুলের স্ত্রীকে জানালে প্রথমে তারা স্বীকার করলেও পরবর্তীতে তা পরিষ্কারে অসম্মতি জানালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় এনামুলের স্ত্রী মনিরকে জুতাপেটা করতে চাইলে মনিরও তাকে জুতা পেটা করতে চায়। উত্তেজিত হয়ে এক পর্যায়ে এনামুল তার বাসায় থাকা একটি সামুরাই জাতীয় লম্বা দা নিয়ে এসে মনিরকে আঘাত করে। মনির সে আঘাত থেকে বাঁচতে হাত বাড়িয়ে দিলে মনিরের বা হাতে বাহুতে যখম হয়। এছাড়াও এনামুল মনিরের বুকে ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাত করে।

ওইদিন রাতেই ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলামের হস্তক্ষেপে এক প্রকার মীমাংসা হয় বিষয়টি। তবে যে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা সেই আপত্তিকর উচ্ছিষ্ট সরিয়ে না ফেলায় আহত মনির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আঘাতকারী সাবেক ডিবি সদস্য বর্তমানে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত এনামুলের শাস্তি দাবী করেন।

অভিযুক্ত এনামুলের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মনির আমার স্ত্রীকে জুতাপেটা করতে চাইলে বিষয়টি বাড়াবাড়ি হয়। এ বিষয়ে ওসি সাহেবকে অবগত করলে তিনি রাতেই বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

এ বিষয়ে সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম মুঠোফেনে জানান, এটা কোন কিছু না, ঘটনাটি দুজন পুলিশ সদস্যের নিজেদের ভুল বোঝাবোঝির কারণেই হয়েছে।

বাংলাপত্রিকা/এসএ

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন