‘নাম ভাঙিয়ে কেউ কোন অপকর্মে লিপ্ত হলে আমাকে জানাবেন’

ফাহিম মুনতাসীর শোভন, কক্সবাজার সদর প্রতিনিধি | সাক্ষাৎকার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ | ১২:৪২:০৩ এএম
‘নাম ভাঙিয়ে কেউ কোন অপকর্মে লিপ্ত হলে আমাকে জানাবেন’
আমি নিজেকে কখনো একজন সফল নেতা হিসাবে মনে করিনা। কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক সমাজ ব্যাবস্থা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ঘোষিত দুর্নীতি, মাদক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে না ততক্ষণ পর্যন্ত কোন মুজিব সেনা সফলতা দাবী করতে পারেনা। কথগুলো বলছিলেন কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের ৬নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌধুরী

সম্প্রতি বাংলা পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে তার রাজনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। বাংলা পত্রিকার পাঠকদের জন্য শাহনেওয়াজ চৌধুরীর সাক্ষাতকারটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

সাক্ষাতকার নিয়েছেন বাংলা পত্রিকার কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রতিনিধি ফাহিম মুনতাসীর শোভন

বাংলা পত্রিকাঃ আপনার রাজনীতিতে আসার পেছনের কথা যদি একটু বলতেন?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ আমার রাজনীতিতে আসার মূল কারণ হল আমার মেঝ ভাই সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এবং সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা, আমরন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করে গেছেন। কক্সবাজারে যাকে নেতা শাহ আলম হিসাবেই বেশী চিনেন। আমার সেই মেঝ ভাইয়ের অকাল মৃত্যুতে কক্সবাজার সদরের পুর্বাঞ্চলে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে নেতৃত্বের বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হয়। আমার মেঝ ভাইয়ের বন্ধু বান্ধবরা যারা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সার্বক্ষণিক সক্রিয় থেকে আমার মেঝ ভাইয়ের নেতৃত্বে রাজনীতি করে জামাত শিবিরের ঘাঁটিতে আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন। আমার মরহুম মেঝ ভাইয়ের সেই সহযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণায় এবং বিশেষ করে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক, কক্সবাজার পৌরসভার মাননীয় মেয়র মহোদয়ের একান্ত ইচ্ছায় আমার মরহুম মেঝ ভাইয়ের শূন্যস্থান পূরন করতে এবং হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন করতেই আমার রাজনীতিতে আসা।

বাংলা পত্রিকাঃ আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতে গিয়ে কোন প্রকার বাঁধার সম্মুখীন হয়েছেন?  

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ আমার মেঝ ভাইয়ের মৃত্যুর আগে আমি জাতীয় রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। আমার মেঝ ভাই সক্রিয় ভাবে রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তবে আমার মেঝ ভাইয়ের পরামর্শ ও নির্দেশনা নিয়ে তাঁর একান্ত সহযোগিতায় কক্সবাজারের অন্যতম সুশৃঙ্খল শক্তিশালী শ্রমিক সংগঠন জীপ মাইক্রোবাস চালক সমিতির বাস টার্মিনাল শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই সংগ্রাম করেছি। এই আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক সময় প্রশাসন থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের অনেক হুমকি ধামকি পেয়েছি। তবে সেই হুমকি ধামকিকে আমি ভয় পেতাম না। কারণ আমার চরম মূহুর্তে আমার মেঝ ভাই ছিল একটি বটবৃক্ষের মত। আমার মেঝ ভাই  ছাত্রলীগের রাজনীতি করতে গিয়ে শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডারদের আক্রমনের শিকার হয়। কক্সবাজার সরকারি কলেজে তাকে হত্যা করতে হামলা করেছিল। তখন আমার বয়স ছিল কম। শিবিরের ক্যাডারেরা মৃত ভেবে আমার মেঝ ভাইকে সরকারি কলেজের গেইটে ফেলে দিয়ে চলে যায়। মূমুর্ষ অবস্থায় আমার ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল্লাহর অশেষ রহমতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে মেঝ ভাই ফিরে আসেন। এর পরও আমার মেঝ ভাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি থেকে বিন্দু পরিমাণও দূরে সরে যায়নি।

বাংলা পত্রিকাঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, দখলবাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে নিজ দলের ভিতর যে অভিযান শুরু করেছেন সেই অভিযান সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা নিজ মেধা আর যোগ্যতার বলে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ধারা অব্যাহত রাখতে এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দেশকে অবশ্যই মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, দখলবাজ এবং ক্যাসিনোবাজ মুক্ত করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতিটি কর্মকাণ্ড দেশ এবং দেশের জনগণের কল্যাণ সাধিত করায় মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য। চলমান অভিযানের ফলে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গ্রহনযোগ্যতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের সরকার, এমপি মন্ত্রী তো দুরের কথা দলের একজন তৃতীয় শ্রেনীর নেতার অপকর্মের বিরুদ্ধে পর্যন্ত কোন আইনি ব্যবস্থা নিতে দেখেনি বাংলার মানুষ। ২১ আগস্টে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী তৎকালীন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশের উপর গ্রেনেড বোমা গুলি করেছে। সেই বর্বরোচিত হামলাকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছিল তৎকালীন সরকার। ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে জজমিয়া নাটক করা হয়েছিল। আপনারা সাংবাদিকরাই বলুন বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজ রক্তের আত্মীয় স্বজনরাও যদি কোন অপকর্মে লিপ্ত হওয়ার প্রমাণ পেয়েছেন সাথে সাথে সেই অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিচ্ছেন। অপরাধী যেই হউক তার পরিচয় সে অপরাধী। তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কথা। একটি জিনিস খেয়াল করে দেখুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেটা বলেন সেটা করে ছাড়েন। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন নগন্যতম কর্মী হিসাবে বলছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চলমান অভিযানের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন আছে এবং থাকবে। আমরা চাইনা দলের গুটি কয়েক দুর্নীতিবাজ অপরাধীদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সকল অর্জন গুলো ধ্বংস হয়ে যাক।

বাংলা পত্রিকাঃ শ্রমিক সংগঠন আর রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে কোন তফাত আছে বলে মনে করেন কি?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ অবশ্যই তফাত রয়েছে। শ্রমিক সংগঠনের কাজ হল এক কেন্দ্রিক। রাজনৈতিক সংগঠনের কাজ হল দেশে যত শ্রেনী পেশার মানুষ রয়েছে সকল শ্রেনীর মানুষের কল্যাণে কাজ করা। সুতরাং রাজনৈতিক সংগঠনের কাজের পরিধি ব্যাপক।

বাংলা পত্রিকাঃ আওয়ামীলীগের তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী নেতা কর্মীরা প্রায় বলতে শুনি দলের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকেরা দলের মাঝে হাইব্রিড অনুপ্রবেশকারী সুবিধা বাদিদের পদ পদবী দিয়ে নানা অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনার মতামত জানাবেন?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের মূল কমিটি এবং প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটিতে যারা আছেন তারা সকলেই আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান। এখানে কোন অনুপ্রবেশকারী বলুন হাইব্রিড বলুন সে রকম কোন কিছুই নেই। আমরা যারা শহর আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে আছি আমরা সকলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে লালন করে দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন কর্মী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও দলের নেতৃত্ব থাকুক আর না থাকুক মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করে যাব ইনশাল্লাহ।

বাংলা পত্রিকাঃ ভবিষ্যতে জনগণের কাছে থেকে জনগণের প্রতিনিধি হয়ে সাধারণ মানুষের সেবক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ জনগণের সেবা করতে হলে জনগণের প্রতিনিধি হতে হবে এমনতো কথা নেই। জনগণের প্রতিনিধি না হয়ে জনগণের সেবা করা যায়না? জনগণের সেবা যে কেউ করতে পারেন। নিজ নিজ অবস্থানে থেকে যার যেমন সামর্থ্য আছে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সাধ্যমত সেবা করা যায়। ভবিষ্যতে আমি জনপ্রতিনিধি হবার স্বপ্ন দেখি কিনা সেটা সময় বলে দিবে।

বাংলা পত্রিকাঃ আপনি আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা হিসাবে নিজে কতটুকু সফল বলে মনে করেন?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ আমি নিজেকে কখনো একজন সফল নেতা হিসাবে মনে করিনা। কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক সমাজ ব্যাবস্থা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ঘোষিত দুর্নীতি, মাদক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে না ততক্ষণ পর্যন্ত কোন মুজিব সেনা সফলতা দাবী করতে পারেনা।

বাংলা পত্রিকাঃ বর্তমানে আপনি কোন কোন সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন এবং সংগঠন সমূহের কোন কোন পদের দায়িত্বে রয়েছেন বলবেন কি?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল জীপ মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক, জেলা জীপ, মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা জীপ মাইক্রো কার মালিক সমিতি, সিনিয়র সহ সভাপতি, কক্সসবাজার বাস মিনিবাস মালিক সমিতি, সাধারন সম্পাদক, বায়তুন নূর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি, সহ সভাপতি, বাস টার্মিনাল বড় কবরস্থান পরিচালনা কমিটি, আহবসয়ক, বাস টার্মিনাল দোকান মালিক সমিতি, আহবায়ক, বাস টার্মিনাল জয়েন্ট বিজনেস ফোরাম। রাজনীতিতে অংশগ্রহন :১৯৯৭ থেকে রামু কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য ছিলাম। মেঝ ভাইয়ের বন্ধুদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের অনুপ্রেরনায় মেঝ ভাইয়ের অসুস্থতার পর হতে মেঝ ভাইয়ের শূন্য জায়গা পূরন ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অনুপ্রানিত হয়ে সরাসরি পৌর আওয়ামীলীগে যোগদান করি, এবং পরবর্তীতে সমম্মেলনে ০৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়।

বাংলা পত্রিকাঃ আপনার দলীয় এবং ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আপনার ওয়ার্ডের জন সাধারণের প্রতি কোন বার্তা আছে কি?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ আমার ওয়ার্ডের সম্মানিত জনসাধারণের প্রতি আমার প্রথম বার্তা হল, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নের অগ্রযাত্রা রুখতে বাংলাদেশ বিরোধী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে বিভিন্ন এলাকায় গুজব ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই ষড়যন্ত্র কারীদের ছড়ানো গুজবকে বিশ্বাস না করে ছড়ানো গুজবের সত্যতা যাচাই বাছাই করা। যারা ভোলার বোরহান উদ্দিনের মত গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা করে তাদের চিহ্নিত করে পুলিশকে জানিয়ে দিবেন। দ্বিতীয় কথা হল আমাদের কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের ৬ নম্বর ওয়ার্ড শাখার নাম ভাঙিয়ে কেউ কোন অপকর্মে লিপ্ত হলে সাথে সাথে পুলিশকে অথবা আমাকে জানাবেন। আমার ফোন নাম্বার দেওয়া হল। মোবাইল নং ০১৮১৯৮৯৪১৯০।

বাংলা পত্রিকাঃ গত ৭ নভেম্বরে আপনার ৬নং ওয়ার্ডের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এই সম্মেলনে আপনি পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলা পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হওয়াই আপনার প্রতিক্রিয়া কি?

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ মহান আল্লাহ আমাকে কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার তৌফিক দান করায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি আলহামদুলিল্লাহ। আমার রাজনৈতিক গুরু জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কক্সবাজার পৌর সভার মাননীয় মেয়র মুজিবুর রহমান এবং সাথে আমার প্রাণপ্রিয় কাউন্সিলর এবং ডেলিগেট ভাইদের সহ শহর আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মহোদয় এবং আমার শুভাকাঙ্খি বৃন্দের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

বাংলা পত্রিকাঃ আপনি শত ব্যস্ততার মাঝেও আমাদের সময় দেওয়ায় বাংলা পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাকে এবং আপনার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সকল নেতা কর্মীদের আন্তরিক সালাম ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

শাহনেওয়াজ চৌধুরীঃ বাংলা পত্রিকা কতৃপক্ষ আমার সাক্ষাতকার নেওয়ায় আমার দলের এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে বাংলা পত্রিকার সম্মানিত প্রকাশক, সম্পাদক ও সম্পাদক মণ্ডলির সদস্যদের এবং সকল জেলা উপজেলা প্রতিনিধিদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও সালাম জানাচ্ছি।

বাংলাপত্রিকা/এসআর

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন