‘আম্মাকে নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একবার স্বাক্ষাৎ করতে চাই’

মো. শহিদুল্লাহ, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি | সাক্ষাৎকার
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯ | ১২:৩৫:২১ এএম
‘আম্মাকে নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একবার স্বাক্ষাৎ করতে চাই’
জন্ম থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। শিখেছেন কিভাবে মানুষের পাশে এসে ছায়ার মত সহযোগিতার হাত বাড়াতে হয়। স্বপ্ন দেখেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার। বীরমুক্তিযোদ্ধা পিতার সন্তান হয়ে দেশকে ভালোবাসেন সকল কিছুর উর্ধ্বে থেকে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণ কামনায় প্রতি মুহুর্ত কাটে যার তিনি এস এম নাজিম উদ্দীন। বর্তমানে সরাসরি আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত না থাকলেও শরীরের শিরা-উপশিরায় রয়েছে আওয়ামী ভাবনা চিন্তা। তার জীবনের বাস্তব কিছু কথা তুলে ধরেছেন বাংলা পত্রিকার কাছে। এস এম নাজিম উদ্দীনের স্বাক্ষাতকারটি হুবহু বাংলা পত্রিকার পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

স্বাক্ষাতকারটি নিয়েছেন বাংলা পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি মো. শহিদুল্লাহ

বাংলা পত্রিকাঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এত ভালবাসার পেছনের কথা গুলো বলবেন কি?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ আমার জন্মের পর যখন কথা বলতে শিখেছি তখন থেকে আমার আব্বার মুখে শুধু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে, তার গৌরব গাঁথা এবং স্বাধীনতার ইতিহাস শুনতাম। বলতে গেলে আমার পিতার ঔরসে থেকেই জয় বাংলা শুনে জন্ম গ্রহণ করেছি। আব্বা প্রতিদিন বাংলার বাণী পত্রিকা পড়তেন। ২য় শ্রেণিতে পড়াকালীন থেকে আমি পত্রিকা পড়া শুরু করেছি। তখন থেকে বাবার মুখে শুনা এবং পত্রিকার লেখা থেকে অনুপ্রানিত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসতে শুরু করেছি। এসব পড়ে বুঝতে পারলাম বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা জাতি হিসাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারতাম না। তিনি আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা। তার জন্ম না হলে আমরা পরাধীনতার শিকলে বন্দি থাকতাম। আমার পিতার মত আমরাও সব ভাইবোন আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে যাব। বঙ্গবন্ধুর গৌরবময় জীবনের বিভিন্ন ডকুমেন্টারী দেখলে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ি। আমি মনে করি আমরা যারা বাঙালী জাতি হিসাবে পরিচয় দিতে চাই সবার উচিৎ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করা এবং মনে প্রাণে ভালোবাসা। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাই যখন দেখি ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে শোকের দিনে মিথ্যা জন্মদিন পালন করে আনন্দ উল্লাস করা হয়।

বাংলা পত্রিকাঃ ছাত্র জীবনে আপনি ছাত্র রাজনীতি করতেন? কোন ছাত্র সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন এবং কোন শাখায় কোন দায়িত্বে ছিলেন?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ আমি ছাত্রজীবনে সাহিত্যিকা উচ্চ বিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। আমার ছাত্র রাজনীতিতে সবসময় পাশে ছিলেন তৎকালীন ছাত্রলীগের সাহসী নেতা মো. শহিদুল্লাহ ভাই। সাবেক ইউপি মেম্বার বর্তমান জেলা কৃষকলীগের প্রভাবশালী নেতা। বর্তমানে আমি দলের কোন দায়িত্বে নেই। দলীয় কোন দায়িত্বে না থাকলেও বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে ভালবাসি বলেই যেখানেই যায় সেখানেই দেশ এবং দেশের মানুষের কাছে, দেশের প্রতি বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের ভালবাসা ও আত্মত্যাগ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরতে চেষ্টা করি।

বাংলা পত্রিকাঃ বর্তমানে রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেলেন কেন? বর্তমান সময়ে দেশের রাজনীতি সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ জীবন ও জীবিকার তাগিদে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চাকরি করার কারণে নিজ এলাকায় অবস্থান করা সম্ভব না হওয়ায় রাজনীতির পদ পদবী নিয়ে রাজনীতি করা যায়না। তারপরও নিজ এলাকার রাজনীতি সম্পর্কে খবরা খবর রাখি। বর্তমান সময়ের রাজনীতি আর পূর্বের রাজনীতির মাঝে আকাশ পাতাল তফাত পরিলক্ষিত হয়। আগে রাজনৈতিক নেতারা রাজনীতি করতেন দলের আদর্শের উপর ভিত্তি করে। বর্তমান রাজনীতিতে দলের আদর্শ পরিপন্থী ব্যক্তি স্বার্থের আধিক্যই বেশী পরিলক্ষিত হয়। বর্তমান সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও তৃণমূল পর্যায়ের কিছু ত্যাগী নেতা কর্মীরা খেয়ে না খেয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আঁকড়ে ধরে আছেন। আবার এমনও কিছু নেতা দেখা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আড়ালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে রাজনীতিকে ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেই আদর্শ বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে দলের ভিতর শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। তাতে শুধু দল শুদ্ধ হবেনা দেশের অন্যান্য অপরাধীরাও শুদ্ধ হতে বাধ্য হবে। আমার পিতা বলতেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি হলো মানুষের পাশে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করা।

(এখানে বিষয়টি হল আমার পিতা নুনিয়া চড়ার সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পরও আমার পিতাকে সহায় সম্বল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিলো। এমনকি মাথা গোজার ঠাঁই টুকুও আমাদের ভাগ্যে ঝুটে়নি। তাই জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে হতো সুতরাং মানুষের পাশে থাকার সুযোগ ছিলোনা।
দেখেছি যারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদ পদবী নিয়ে বসে থাকে তারা নিজেকে মানুষের চেয়ে বড় কিছু মনে করে। পদে থেকে রাজনীতি না করাও তার একটি কারণ।)

বাংলা পত্রিকাঃ বর্তমানে আপনি কোন পেশায় জড়িত আছেন?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ আমি বর্তমানে এবেস্তা নামে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি।

বাংলা পত্রিকাঃ- সরকারের বর্তমান কর্মকাণ্ডকে আপনি সমর্থন করেন?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ বর্তমান সরকারের কর্মকান্ডে আমি খুবই সন্তুষ্ট। সরকারের চলমান দুর্নীতি বিরোধী অভিযান সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে। পাশাপাশি সরকার যে ভাবে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছে, রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজ, ব্রিজ, কালভার্ট, থেকে শুরু করে সবদিক থেকে যে উন্নয়ন হচ্ছে তাতে আমি মনে করি দেশের মানুষ একযোগে বলবে শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার।

বাংলা পত্রিকাঃ শুনেছি আপনার পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তবে মুক্তিযুদ্ধের সনদ নেননি। এর কারণ জানা থাকলে একটু বলবেন কি?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ আব্বার যুক্তি ছিলো মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর ডাকে। বাংলার মানুষ বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। এখানে বিনিময় নেওয়া মানে নিজেকে ভাড়ায় খাটানোর মতই দেখায়। যদি প্রতিদান নিই তাহলে ভালোবাসার মুল্য কি রইলো। আব্বার মৃত্যুর পর তার সহযোগীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও জয় বাংলা বাহিনী ১৯৭১ এর প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব কামাল হোসেন চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় (যার কাছে আব্বা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন) ২০১৪ সালে জামুকার অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। যার আবেদন নং- DGI-140105 তবে আমাদের ভাগ্যটাই এমন যে ২০১৭ সালে বাছাই কমিঠির সামনে উপস্থিত হয়েও পরবর্তিতে অদৃশ্য কারনে আব্বার নামটা আসেনি। আমার পিতার রাজনীতির আদর্শিক গুরু ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর কক্সবাজার আওয়ামীলীগ রাজনীতির কিংবদন্তি জননেতা এ.কে এম মোজাম্মেল হক সাহেব। তিনি ছিলেন কক্সবাজারের বঙ্গবন্ধু। মোজাম্মেল সাহেব বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাইরে কোন দিন রাজনীতি করেননি। তিনি সত্য কথা বলতে ভয় পেতেন না। আমার আব্বাও সত্য কথা সামনা সামনি বলতেন। সেই সুত্রে আব্বা বিভিন্ন সময় রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। সেই জন্যেই বুঝি আমরা পিতার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি টুকু পায়নি। ১৯৯৬ সালে জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, শেখ হাসিনা জয়লাভ করলে আমার পিতার আনন্দাশ্রু সেদিনই দেখেছিলাম। আব্বা আওয়ামঅলীগ, নৌকা, শেখ হাসিনা এতই ভালবাসেন? আব্বা ইন্তেকালের পর জানাযা এবং কুলখানিতে বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান আমাদের অবিভাভক বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব কামাল হোসেন চৌধুরী, তৎকালীন পৌর মেয়র মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে আমাদের সহানুভূতি জানিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে জনাব কালাম হোসেন চৌধুরী ছাড়া আর কেউ আমাদের খোঁজ খবর নেয় নি।

বাংলা পত্রিকাঃ আপনারা কয় ভাই বোন রয়েছেন? তারা কে কোন পেশায় জড়িত আছেন?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ আমরা ৬ ভাই ৫ বোন। বোনেরা সবাই শ্বশুর বাড়িতে এবং ভাইয়েরা সবাই বিভিন্ন ধরনের ছোটখাটো চাকুরী করে জীবিকা নির্বাহ করি। তার মধ্যে বড় ভাই অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার স্ত্রী ৪ সন্তান আমাদের সাথে রয়েছেন। তার মৃত্যুর সময় ছোট মেয়ের বয়স ছিল মাত্র ৪ মাস। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ করতেন। তিনি উত্তর চরপাড়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা, উত্তর নুনিয়া ছড়া জোহাদিয়া সাইফিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। শিল্প এলাকার কবর স্থানের জমি দখল মুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ কবরস্থান হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি শিল্প এলাকা জামে মসজিদ ও সমাজ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং অন্যান্য ভাইয়েরা শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন সংগঠনে জড়িত ছিলেন।

বাংলা পত্রিকাঃ আপনার ভবিষ্যত কোন পরিকল্পনা রয়েছে কি? থাকলে জানান।

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো এখনো যারা বঙ্গবন্ধুকে জানেননি বুঝতে পারেননি। বঙ্গবন্ধ যে বাঙালির আরাধ্য মহা পুরুষ তা বুঝাতে হবে। যারা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে ভুল জেনেছে তাদেরকে সেই ভুল থেকে ফিরিয়ে এনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারনের জন্য উদ্বুদ্ধ করা। মানুষের মনে মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করে হিংসা বিদ্বেষ দুর করা গরীব দুঃখি মেহনতি মানুষের সেবা করা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি মাদক মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা। আমার আম্মার ইচ্ছা তিনি জীবনের শেষ মুহুর্তে হলেও একবার জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাত করতে চায়। আমার ২টা ইচ্ছা ছিল সেখান থেকে আল্লাহ ১টি ইচ্ছে পুরণ করেছে। জাতির পিতার মাজার স্বপরিবারে জিয়ারতের মাধ্যমে। আরও ১টি ইচ্ছে বাকী আছে আম্মাকে সাথে নিয়ে পবিত্র হজ্জ পালন করা এবং রাসুল (সঃ) পবিত্র রওজা মোবারক জিয়ারত করা।

বাংলা পত্রিকাঃ এই সরকারের প্রতি আপনার কোন দাবী রয়েছে?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে আমার দাবী নয় আবেদন থাকবে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে ডাক্তারদের প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ করে শুধু মাত্র হাসপাতালে উপস্থিত নিশ্চিত করতে হবে। বেসরকারী ক্লিনিক সমূহে বেসরকারী ডাক্তাররা চিকিৎসা দিতে পারবে। গরীব রোগীদের টেস্ট এর নামে যেভাবে ডাকাতি করার মত মানসিকতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তা বন্ধ করতে হবে। শিক্ষার উন্নয়নে দেশ থেকে কোচিং বাণিজ্য কঠিন হাতে নিয়ন্ত্রণ করে পিছিয়ে পড়া গরীব অসহায় মানুষের সন্তানদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

বাংলা পত্রিকাঃ নতুন প্রজন্মের প্রতি আপনার কোন বার্তা আছে কি?

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ নতুন প্রজম্মের কাছে আমার বার্তা হলো তারা নিজেকে মানুষ হিসাবে যেমন গড়ে তুলবে তেমনি অন্যদেরও মানুষ হিসেবে চিন্তা করবে। মা-বাবা এবং বড়দের সম্মান করবে। ছোটদের স্নেহ করবে। কোনো অন্যায় দেখলে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করবে। অসহায় মানুষের পাশে থাকবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে রাজনীতি করবে। মনে কষ্ট লাগে যখন দেখি ছোট ছোট ছেলেরা পুলিশ অফিসারের কাজে ও সরকারি কাজে বাধার সৃষ্টি করে, তখন আফসোস হয় আমরাতো এমন ছিলাম না। শেষ কথা হল ভাল মেধাবী হওয়ার চাইতে ভাল মানুষ হওয়া বেশী প্রয়োজন।

বাংলা পত্রিকাঃ আপনি একজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী হয়ে আপনার কর্মব্যস্ততার মাঝেও আপনি আমাদের সময় দিয়েছেন। বাংলা পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এস এম নাজিম উদ্দীনঃ আমার পক্ষে আপনাকে এবং বাংলা পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বাংলাপত্রিকা/এসআর

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন