গঙ্গাচড়ায় ভেজাল দই-এ সয়লাব, ভ্রাম্যমান আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা

মোঃ আফ্ফান হোসাইন আজমীর, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি | সারাদেশ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯ | ০৮:২২:০৩ পিএম
গঙ্গাচড়ায় ভেজাল দই-এ সয়লাব, ভ্রাম্যমান আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা
রংপুরের গঙ্গাচড়া বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজারের দোকানগুলো ভেজাল দই-এ সয়লাব হয়েছে। এসব দই খেয়ে অনেকে প্রায়ই অসুস্থ্য হচ্ছে।

জানা যায়, শ্রী রতন ঘোষ নামে এক ব্যক্তি উপজেলার গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের নিলকচন্ডী মাদরাসাপাড়া গ্রামে প্রায় দুই বছর আগে ‘রতন দই ঘর’ নামক কারখানা দিয়ে মিষ্টি দই তৈরি করে উপজেলার বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করছেন। ভূক্তভোগীরা বলেন, এসব দই খুবই নিম্নমানের, তারা কারখানায় ভ্রাম্যমান আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গত বুধবার দুপুরে সরেজমিন ওই কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, কারখানা ঘরের নোংরা মেঝের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই তৈরির বিভিন্ন দ্রব্য পরে আছে। এসব দ্রব্য দিয়েই তারা মিষ্টি দই তৈরি করে মাটির পাতিলের মধ্যে ভরে বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করেন। এসময় কথা হয় রতন ঘোষের স্ত্রী’র সাথে। তিনি জানান, দই তৈরিতে তাদের বৈধতা আছে এবং বিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদন রয়েছে। তার কাছে কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানান।

এ ব্যাপারে কারখানা মালিক রতন ঘোষের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, আপনারা যা দেখেছেন তাই লেখেন, আমার কিছুই হবে না।

এদিকে ভূক্তভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আব্দুস সামাদ জানান, রতন দই কারখানার দইগুলো খুবই সর্বনিম্ন মানের, নেই কোন উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ। এছাড়াও তিনি দইগুলো বিক্রি করতে বাজারের ব্যবসায়ীদের নিষেধ করেছেন।

বাংলাপত্রিকা/এসআর

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন