থ্রি হুইলার উৎপাদন করবে রানার

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক | অর্থনীতি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৯ | ১২:৪৩:২৩ পিএম
থ্রি হুইলার উৎপাদন করবে রানার
প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড সিএনজি ও এলপিজি চালিত তিন চাকার যান (Three Wheelers) উৎপাদনের প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। গতকাল ২৮ অক্টোবর, সোমবার অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই প্ল্যান্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

পর্ষদ সভায় আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের অবশিষ্ট অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনায়ও পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আইপিওর প্রসপেক্টাসে যেসব খাতে টাকা বিনিয়োগ করার কথা ছিল, তার পরিবর্তে তা নতুন থ্রি হুইলার প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে। তবে বিদ্যমান আইন অনুসারে, এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতির প্রয়োজন হবে।

থ্রি হুইলার প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়ে সম্মতি জানতে বিষয়টি আগামী ১৭ ডিসেম্বর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) ডেকেছে। আর এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ নভেম্বর।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, তারা বিদ্যমান টু হুইলার (মোটরসাইকেল ও স্কুটি) যানের পাশাপাশি থ্রি হুইলার উৎপাদন করবে। এতে একদিকে উৎপাদন উপকরণের ব্যয় কমবে, অন্যদিকে বিকাশমান এই বাজারের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করা যাবে। তাতে কোম্পানির বিক্রি, আয় ও মুনাফা বাড়বে।

প্রাথমিকভাবে কোম্পানিটি মাসে ৩ হাজার এবং বছরে ৩০ হাজার থ্রি হুইলার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

রানার অটোমোবাইলস আইপিওর মাধ্যম বাজার থকে ১০০ কোট টাকা সংগ্রহ করেছিল। এই অর্থ থেকে কোম্পানিটি  ৩৩ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করেছে। আইপিওতে ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি টাকা। বাকী রয়েছে ৬৩ কোটি টাকা। আইপিওর প্রসপক্টোস অনুসারে, এই টাকা রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, নতুন মেশিনারি ক্রয়, ডাই অ্যান্ড মোল্ড ক্রয়, বদ্যিমান ৮০ সিসি ও ১১০ সিসি মোটরসাইকেলের উন্নয়ন ইত্যাদি খাতে ব্যয় করার কথা ছিল।  গতকাল সিদ্ধান্ত হয়েছে, আলোচিত অর্থ এই  খাতে ব্যয় না করে থ্রি হুইলার উৎপাদন ইউনিট স্থাপনে ব্যয় করা হবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুসারে, কোম্পানিটি চেসিস ওয়েল্ডিং লাইন স্থাপনে ১২ কোটি ১৮ লাখ টাকা, বডি ওয়েল্ডিং লাইনে ৭ কোটি ১০ লাখ টাকা, পেইন্ট বুথে ২৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা, যান সংযোজন ও টেস্টিং ইউনিটে ১৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।

শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি পেলে কোম্পানিটি আইপিওর অর্থ ব্যবহারের এই নতুন পরিকল্পনার জন্য পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আবেদন জানাবে। বিএসইসির কাছ থেকে অনুমোদন পাওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

বাংলাপত্রিকা/এসআর

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন