ঐক্যফ্রন্ট ‘বিগত যৌবনা’

নিজস্ব প্রতিবেদক | জাতীয়
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯ | ০৯:২২:২১ পিএম
ঐক্যফ্রন্ট ‘বিগত যৌবনা’
‘রাজনীতির মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ‘বিগত যৌবনা’ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার দুপুরে বন্দরনগরীর জেএম সেন হল মাঠে তাঁতী লীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি সবার প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই- ‘রাজনীতির মাঠে ওনারা (ঐক্যফ্রন্ট) বিগত যৌবনা। তাদের ডাকে কেউ আসছে না। তাদের জনপ্রিয়তা হারিয়ে গেছে। তারা যে কথাগুলো বলছেন সেগুলো মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না।’

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে। আমি ঐক্যফ্রন্টকে ধন্যবাদ জানাই, তারা মাঠে নেমেছে। গণতন্ত্রের স্বার্থে শক্তিশালী বিরোধীদল প্রয়োজন আছে। কিন্তু সভা-সমাবেশ করতে তারা ইস্যু খুঁজে পাচ্ছে না। তাই কিছু একটাকে ইস্যু করার চেষ্টা করছেন। কখনো নিরাপদ সড়কের আন্দোলনকে ইস্যু করার চেষ্টা, কখনো আবরার হত্যাকাণ্ডকে ইস্যু করার চেষ্টা। কিন্তু এসব চেষ্টা হালে পানি পাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আপনারা সরকারের সমালোচনা করবেন। সংসদে ও রাজপথে বিরোধীদল বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা করুক- আমরা সেটা চাই। এই সমালোচনা যাতে কণ্টকাকীর্ণ পথচলাকে শাণিত করে। কিন্তু তারা যে অহেতুক সমালোচনা করে, সেটা দেশের জন্য, মানুষের জন্য শুভ নয়।’

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি তাঁতী লীগকে বলবো, আমরা পরপর তিনবার রাষ্ট্রক্ষমতায়। আমাদের দলে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে। অনেকে নানাভাবে পদ পেয়েছে। বিরোধীদলে থাকার সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের যারা নির্যাতন করেছে, তারা যেন কোনভাবেই দলে প্রবেশ করতে না পারে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন তাঁতী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. শওকত আলী। প্রধান বক্তা ছিলেন তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ।

এর আগে শনিবার সকালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) দু'দিনব্যাপী ১৬শ আর্ন্তজাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে এবছর ২ লাখ টন খাদ্যশস্য রপ্তানি করবে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জনসংখ্যা অনেক বেড়েছে। কমেছে আবাদি জমির পরিমাণ। তারপরও বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ এবছর ২ লাখ টন খাদ্য শস্য রপ্তানি করবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাপত্রিকা/এসআর

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন