এলাকার মানুষের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে চান আফ্রিকার সফল বাংলাদেশী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ওমর কাজি

মো. আনোয়ার, বাঁশখালী প্রতিনিধি | সাক্ষাৎকার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১১:১২:১৬ পিএম
এলাকার মানুষের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে চান আফ্রিকার সফল বাংলাদেশী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ওমর কাজি
বাঁশখালী উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও দক্ষিণ জেলা ছাত্র দলের সদস্য বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আফ্রিকা মোজাম্বিক শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য ও আফ্রিকা মোজাম্বিক শহরের বাংলাদেশী সফল ব্যবসায়ী মোঃ ওমর কাজি। রাজনৈতিক এ ব্যক্তি ছোট বেলা থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং দলের আদর্শকে মাথায় রেখে আগামী নেতৃত্ব তারেক রহমানের নির্দেশে কাজ করে চলেছেন এ  নেতা। তিনি চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানার সরল/পূর্ব কাহার ঘোন এলাকার আলহাজ¦ ছিদ্দিক আহাম্মদ কোম্বানি এবং ফাতেমা বেগদ দম্পতির সন্তান।     

সম্প্রতি বাংলা পত্রিকার মুখোমুখি হয়ে নিজের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীক সফলতার নানা তথ্য তুলে ধরেন এই জনবান্ধব নেতা।

বাংলা পত্রিকা : আপনার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার গল্পটি যদি বলেন?  
                
মো. ওমর কাজি : আমি ছোট বেলা থেকে বিএনপির রাজনীতির অনুরক্ত। আমি স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি আমি আমার বাবা ও এলাকার বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও স্বাধীনতা যুদ্ধের বীরত্বের ঘটনা ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণার কথা শুনেছি এবং পর্বতীতে গণমাধ্যমে নিজে দেখেছি। যা আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে ছাত্র দলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতে।

বাংলা পত্রিকা : আপনি কখন থেকে ছাত্র দলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন?
           
মো. ওমর কাজি : আমি ১৯৯০ সালে প্রাইমেরি স্কুল জীবন শেষ করে বাঁশখালী ইউনাইটেড হাইস্কুলে যখন পড়া লেখা করি তখন থেকে ছাত্র দলের রাজনীতি শুরু ১৯৯৫ সালে সরল ইউনিয়ন ছাত্র দলের সদস্য হিসাবে নিজেকে সম্পৃক্ত করে ১৯৯৭ পর্যন্ত দলের যেকোনো কর্মসুচিতে অংশ করি। এর পর ১৯৯৭ সালে এসএসসি পরিক্ষায় উত্তির্ণ হয়ে বাঁশখালী আলাওল ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হয়ে কলেজ জীবন শুরু। এরপর আমি আরও সক্রীয় ভাবে নিজেকে দলে সম্পৃক্ত করি। ১৯৯৯ সালে এইচএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আমার রাজনৈতিক অভিভাবক আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর হাত ধরে থানা ছাত্র দলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশ নিতে থাকি। তখন ২০০১ সালে আমাকে সরল ইউনিয়ন ছাত্র দলের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় দলের পক্ষ থেকে। ২ বৎসর সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করি।
 
বাংলা পত্রিকা : আপনি ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে বর্তমানে মূল দলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছেন এতো গুলো দল থাকতে বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলেন তাতে কারও অনুপ্রেরণা বা অবদান আছে কি?   
     
মো. ওমর কাজি : আমার রাজনৈতিক অভিভাবক সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক বন ও পরিবেশ প্রতি মন্ত্রী এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী আমার অনুপ্রেরণা। উনিই আমাকে বাঁশখালী থানা ছাত্র দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও দক্ষিণ জেলা ছাত্র দলের সদস্য হিসাবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আমার রাজনৈতিক অভিভাবক আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর প্রতি অনুপ্রানীত হয়ে বিদেশে এসেও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রীয় ভাবে দায়ীত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমি আগামীতে আফ্রিকা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। সেই হিসাবে দলের কাজ করে যাচ্ছি।      
   
বাংলা পত্রিকা : আপনার ব্যবসার সফলতার পিছনে কার কার অবদান আছে সংক্ষেপে বলবেন কি?

মো. ওমর কাজি : আমার বাবার পরিবারে আমরা চার ভাই সবাই আফ্রিকা প্রবাসী এবং সফল ব্যবসায়ী। মহান আল্লাহ পাকের দয়া ও মুরুব্বীদের দোয়ায় আমরা চার ভাই সবাই আফ্রিকা মোজাম্বিক শহরের বাংলাদেশী প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচয় লাভ করেছি। এটা আমার পক্ষে সম্ভব হতো না একমাত্র সম্ভব হয়েছে প্রথমত আমার বাবার চেষ্টা এবং আমার ভাইদের অবদানের কারনে। আজ আমিও একজন প্রতিষ্টিত ব্যবসয়ী আমি মহান আল্লাহ পাকের দরবারে আমার ভাইদের আরও সফলতা কামনা করি।

বাংলা পত্রিকা : আপনি একজন রাজনীতিবিদ ও প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী বর্তমানে দল এবং এলাকার মানুষ নিয়ে চিন্তা ধারা কি?
  
মো. ওমর কাজি : আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম যে সময় এমপি এবং মন্ত্রী ছিলেন তখন আমি ওনার মাধ্যমে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করেছি এবং এলাকার মানুষের সুখে দূঃখে পাশে ছিলাম এখনও তাদের সুখ দুঃখের খবর রাখি। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করি আগামীতেও তাদের পাশে থাকতে চাই।   
      
বাংলা পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলা পত্রিকাকে আমার ও আমার পরিবার এবং আমার দলের পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।

বাংলাপত্রিকা/এসআর

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন