আফ্রিকাতে বসাবাস করেও এলাকার অসহায় মানুষের পাশে থাকেন মোহাম্মদ মোজ্জামেল হক

মো. আনোয়ার, বাঁশখালী প্রতিনিধি | সাক্ষাৎকার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ০১:০৫:২৬ পিএম
আফ্রিকাতে বসাবাস করেও এলাকার অসহায় মানুষের পাশে থাকেন মোহাম্মদ মোজ্জামেল হক
বাঁশখালী সরকারি আলাওল ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আফ্রিকা মোজাম্বিক শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য ও মোজাম্বিক মানিকা প্রভেনসিয়া বিএনপির বর্তমান সভাপতি এবং আফ্রিকা মোজাম্বিক শহরের বাংলাদেশী সফল ব্যবসায়ী মোঃ মোজাম্মেল হক। চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার গন্ডামারা চরপাড়ার কোরবান আলী এবং মোসাম্মৎ আছিয়া বেগমের সন্তান এই জনবান্ধব ব্যক্তি।    

সম্প্রতি বাংলা পত্রিকার মুখোমুখি হয়ে নিজের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীক সফলতার নানা তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

বাংলা পত্রিকা  : আপনার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার গল্পটি যদি বলেন?

মো. মোজাম্মেল হক : আমি ছোট বেলা থেকে বিএনপির রাজনীতির অনুরক্ত। আমি স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি আমি আমার বাবা ও এলাকার বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও স্বাধীনতা যুদ্ধের বীরত্বের ঘটনা ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণার কথা শুনেছি এবং পর্বতীতে গণমাধ্যমে নিজে দেখেছি। যা আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে ছাত্র দলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতে।

বাংলা পত্রিকা : আপনি কবে থেকে ছাত্র দলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন?     
     
মো. মোজাম্মেল হক : আমি ১৯৯৬ সালে প্রাইমেরি স্কুল জীবন শেষ করে উপজেলার বড় ঘোন উচ্চ বিদ্যালয়ে যখন পড়া লেখা করি তখন থেকে ছাত্র দলের রাজনীতি শুরু করি। ২০০১ সালে গন্ডামারা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ছাত্র দলের সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেছি। ২০০২/২০০৩ পর্যন্ত বড়ঘোনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র দলের সভাপতি হিসেবে সফল ভাবে দায়ীত্ব পালন করেছি। ২০০৪ সালে এসএসসি পাস করে সরকারি আলাওল ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হয়, তখন আমাকে আলাওল ডিগ্রী কলেজ ছাত্র দলের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়, তা আমি ২০০৫/২০০৬ সাল পর্যন্ত ছাত্র দলের বিশাল ইউনিট গঠন করে তাও সফল ভাবে পালন করি।

বাংলা পত্রিকা : আপনি ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে বর্তমানে মূল দলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছেন এতো গুলো দল থাকতে বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলেন তাতে কারও অনুপ্রেরণা বা অবদান আছে কি?
         
মো. মোজাম্মেল হক : আমার রাজনৈতিক অভিভাবক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দক্ষিণ জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র দলের সহসভাপতি বর্তমান গন্ডামারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সংগ্রামী জননেতা মোঃ লেয়াকত আলী এলএলবি। আমার অনুপ্রেরণা উনিই। আমাকে বাঁশখালী সরকারি আলাওল কলেজ ছাত্র দলের সভাপতি হতে উৎসাহ ও সাহস যুগিয়েছে এবং কলেজ ছাত্র দলের কমিটিতে সভাপতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আমার রাজনৈতিক অভিবাবক আলহাজ্ব লেয়াকত আলীর প্রতি অনুপ্রানীত হয়ে বিদেশে এসে ও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রীয় ভাবে দায়ীত্ব পালন করে যাচ্ছি।    
      
বাংলা পত্রিকা : আপনি এইচএসসি পাশ করার পর পড়ালেখা এবং রাজনীতি ছেড়ে বিদেশ গমন করলেন এ বিষয়ে কিছু বলবেন কি?
              
মো. মোজাম্মেল হক : আমি পরিবারের বড় ছেলে। আমার এবং আমার ছোট ভাই বোনদের পড়া শুনার খরচ পারিবারক খরচ আমার বাবার একার পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। এই চিন্তা আমার মাথায় আসে, তখন আমি বাবা মা’র সাথে পরামর্শ করে ২০০৭ সালে বিদেশ গমন করি। আল্লাহর রহমতে আমি আমার বাবা মা ভাই বোনদের দোয়ায় আমি আফ্রিকা শহরের সফল ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচয় লাভ করেছি। আমার ছোট ভাই বোন সবাই পড়া লেখা করতেছে এবং আমার ছোট ভাই মিসবাহউল হক বর্তমানে অনার্সে অধ্যায়নরত।  
                       
বাংলা পত্রিকা : আপনার ব্যবসার সফলতার পিছনে কার কার অবদান আছে সংক্ষেপে বলবেন কি?

মো. মোজাম্মেল হক : আমার বাবা মার চেষ্টা এবং তাদের অবদানে তো আজ আমি এতটুকু সফল হয়েছি।

বাংলা পত্রিকা : আপনি এখন একজন রাজনীতিবিদ ও সফল ব্যবসায়ী, আগামীতে দল এবং এলাকার মানুষ নিয়ে আপনার চিন্তা ধারা কি?
         
মো. মোজাম্মেল হক : দলের নেতাকর্মী এবং এলাকার মানুষের সাথে আমি সবসময় যোগাযোগ রাখি। আমার বর্তমানে ১ ছেলে ৩ মেয়ে আল্লাহ পাক যদি হয়াত দান করে তাদেরকে একটু সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে আমি ইনশাআল্লাহ আবার তাদের মাঝে পিরে আসবো এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করবো এই আশা বুকে ধারন করি।
            
বাংলা পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলা পত্রিকাকে আমার ও আমার পরিবার এবং আমার দলের পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।

বাংলাপত্রিকা/এসআর

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন